1. admin@pratibaderkantho.com : admin :
  2. badhsa85ja@gmail.com : badhsa :
  3. tvtista2@gmail.com : manik :
চলতি বছর কৃষি ও শিল্প খাতে উৎপাদন বাড়াতে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে ১৬ জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ অব্যাহত\ - প্রতিবাদের কন্ঠ
শুক্রবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২২, ০৬:১২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
বাঘায় মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ রাখায় ৩ ফার্মেসীর মালিককে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা ঝিনাইদহের হরিনাকুন্ডু উপজেলা বাসীদের সচেতন করতে পথে,পথে ঘুরছে ফিরছে হরিণাকুণ্ডুর এসিল্যান্ড জলঢাকায় শীতার্ত মানুষের পাশে ব্যারিষ্টার তুরিন আফরোজ ফাউন্ডেশন জলঢাকায় গৃহহীন ১৫০টি পরিবারের ঘর নির্মাণ কাজের উদ্বোধন। বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফাজ্জল হোসেন তোফা’র রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন নীলফামারীতে ট্রেনে কাটা পড়ে ইপিজেডের ৪ মহিলা শ্রমিক নিহত,আহত-৫ জলঢাকায় সমলয় পদ্ধতিতে যান্ত্রিক ভাবে বোরো রোপনের উদ্ধোধন ! বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফাজ্জল হোসেন তোফা’র মৃত্যুতে – উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীনের শোক ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলার বীর মুক্তযোদ্ধার রাষ্টীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন ডোমারে চারশত শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ

চলতি বছর কৃষি ও শিল্প খাতে উৎপাদন বাড়াতে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে ১৬ জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ অব্যাহত\

মোঃ আফজাল হোসেন, দিনাজপুর প্রতিনিধি
  • প্রকাশকাল : বুধবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২২
  • ১৮

চলতি বছর কৃষি ও শিল্প খাতে উৎপাদন বাড়াতে দিনাজপুরের পার্বতীপুর
উপজেলার বড়পুকুরিয়া ৫২৫ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে ১৬ জেলায়
বিদ্যুৎ সরবরাহ অব্যাহত। বাংলাদেশের একমাত্র উত্তরাঞ্চলের দিনাজপুরের
পার্বতীপুর উপজেলার বড়পুকুরিয়া ৫২৫ মেগাওয়াট কয়লা ভিত্তিক তাপ
বিদ্যুৎ কেন্দ্র চলতি বছর উত্তরাঞ্চলের ১৬টি জেলায় কৃষি ও শিল্প খাতের উৎপাদন
বাড়াতে বিদ্যুৎ সরবরাহ অব্যাহত রেখেছেন। দিনাজপুুরের বড়পুকুরিয়া কয়ল
খনিটি ১৯৯৪ সালে উদ্বোধন করা হয়। এই খনির উৎপাদিত কয়লা দিয়ে
দেশের প্রথম ২৭৫ মেগাওয়াট ধারণক্ষমতার কয়লা ভিত্তিক ইউনিটের তাপ
বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়েছিল। ২০০৩ সালে ২৩ এপ্রিল মাসে দেশে
প্রথম তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি ২০০৩ সালের ২৩ এপ্রিল মাসে দেশের প্রথম তাপ
বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি স্থাপিত হয়। তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র ২টি স্থাপিত হওয়ার পর
উত্তরাঞ্চলের ১৬টি জেলায় বিদ্যুতের চাহিদার একটি বড় অংশ এখান থেকে
পূরণ করা হচ্ছে। তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও কয়লা খনি উত্তোলন প্রকল্প উন্নয়নের
একটি মাইলফলক। ২৮২ একর জমির উপর নির্মিত ৩টি ইউনিট। প্রতি বছর
প্রায় ৮ লক্ষ ৪০ হাজার টন কয়লা ব্যবহার হচ্ছে। ২০০৫ সালে কয়লা ভিত্তিক তাপ
বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির নির্মাণ কাজ শেষ হয়। ২০১৪ সালে তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের
তৃতীয় ইউনিট নির্মাণ করা হয়। ২০১৭সালের ২৬ ডিসেম্বর তৃতীয়
ইউনিটটি পরীক্ষা মূলক চালু হয়। চালুর পর থেকে তৃতীয় ইউনিট থেকে
বিদ্যুৎ সরবরাহ চলছে। কয়লার সংকট থাকার মধ্যেও বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ
কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন অব্যাহত আছে। এখন বড়পুকুরিয়ায় তাপ
বিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদনে কয়লা খনি থেকে পর্যাপ্ত কয়লা সরবরাহ করা
হচ্ছে। ২০২০ইং সালে কোভিড-১৯ মধ্যেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে পর্যায়ক্রমে
৩টি ইউনিট থেকে দেশের উত্তরাঞ্চলের ১৬টি জেলায় কৃষি ও শিল্প কলকারখানার
উৎপাদন বৃদ্ধিতে তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র কাজ করে যাচ্ছে। বড়পুকুরিয়া তাপ
বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী এসএম ওয়াজেদ আলী সরদার ২০২০ইং
সালে যোগদান করার পর বড়পুকুরিয়া কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের
প্রথম দ্বিতীয় ২টি ইউনিট ওভারহোলিং এর মাধ্যমে ঠিক করে চলতি বছর
বিদ্যুৎ উৎপাদনে সচল রেখেছেন। যাতে উত্তরাঞ্চলের ১৬টি জেলায় নিরবিচ্ছন্ন
বিদ্যুৎ সরবরাহ অব্যাহত রাখতে পারে।
বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী এসএম ওয়াজেদ আলী
সরদার সাংবাদিককে জানান, আমি যোগদান করার পর তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে
চীনা কোম্পানী এবং তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দক্ষ প্রকৌশলী ও শ্রমিকরা তাপ
বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির উৎপাদন বৃদ্ধিতে ব্যাপকপ্রকৌশলীরা এখানে কাজ করছেন। বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু
শেখ মুজিবুর রহমান উন্নয়নের কথা চিন্তা করে বিদ্যুতের উৎপাদন বাড়াতে
স্বাধীনতার পর ব্যবক উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করেন। তারেই সুযোগ্য কন্যা জন
নেত্রী মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটির ভিত্তি
স্থাপন করেছিল। সারা বাংলাদেশে বিদ্যুতের উৎপাদন বাড়াতে মাননীয় প্রধান
মন্ত্রী সর্বাত্বক সহযোগীতা করছেন। সেই কারণে দেশ আজ বিদ্যুতে
এগিয়ে যাচ্ছে। গ্রাম গঞ্জে প্রত্যেকটি ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পেঁৗছে
গেছে। বড় পুকুরিয়া থেকে যে পরিমান বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে তা দেশের উত্তর
অঞ্চালের ১৬টি জেলায় সরবরাহ হচ্ছে। বিদ্যুৎ সরবরাহে যাতে কোন সমস্যা
না হয় সেদিকে লক্ষ রেখে ৩টি ইউনিট থেকে আমরা বিদ্যুৎ সরবরাহ
পর্যাক্রমে অব্যাহত রাখছি। তিনি যোগ দানের পর বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ
কেন্দ্রে মুজিব কর্ণার, মসজিদ নির্মাণে বর্ধিত করন, তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র
পরিষ্কার পরিচ্ছন ও সৌন্দর্য বর্ধন করেছেন। এজন্য বিভিন্ন মহল তার
প্রশংসা করেছেন। ইতি পূর্বে কোন প্রকৌশলী তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি সচল
রাখাতে কেউ তার দায়িত্ব সঠিক ভাবে পালন করেন নি। তিনি দায়িত্ব ভার
পাওয়ার সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
error: Content is protected !!