1. admin@pratibaderkantho.com : admin :
  2. badhsa85ja@gmail.com : badhsa :
  3. editor@pratibaderkantho.com : editor :
মেয়েদের কপালে টিপ পরা সম্পর্কে ইসলাম কি বলে। - প্রতিবাদের কন্ঠ
মঙ্গলবার, ২৪ মে ২০২২, ০১:৪২ অপরাহ্ন

মেয়েদের কপালে টিপ পরা সম্পর্কে ইসলাম কি বলে।

এম হেলাল উদ্দিন নিরব পটিয়া- চট্টগ্রাম
  • প্রকাশকাল : মঙ্গলবার, ৫ এপ্রিল, ২০২২
  • ২২

 

পবিত্র ইসলাম ধর্মে মুসলীম মেয়েদের কপালে টিপ পরাকে হারাম বলা হয়েছে। কারণ অতীতকালে সমাজে যেসব মেয়েরা অনৈতিক ও অসামাজিক কার্যকলাপ করত তারা কপালে টিপ পরিধান করত।
এছাড়াও এর পেছনে একটি সত্য কাহিনী রয়েছে। মুসলিম জাতির পিতা হযরত ইবরাহিম আলাইহিস সালামকে যখন আগুনে পুড়িয়ে মারার জন্য নমরুদ ৮ মাইল পরিমাণ জায়গা আগুন জ্বালালো। (নাউযুবিল্লাহ)
তখন একটা নতুন সমস্যা দেখা দিল, নমরূদ বাহিনীর জ্বালানো আগুনের উত্তাপ এতই বেশি ছিল যে, ইহার তাপের কারণে তারা নিজেরাই আগুনের কাছে পৌছতে পারছিল না।

তাই একটা চরক বানানো হল, যার মাধ্যমে ইবরাহীম (আঃ)’কে দূর থেকে ছুড়ে আগুনে নিক্ষেপ করা যায়। কিন্তু রহমতের ফেরেশতারা উনারা চরকের একপাশে ভর করে থাকায় চরক ঘুরানো যাচ্ছিল না। তখন শয়তান এসে নমরুদকে কুবুদ্ধি দিয়েছিল যে, সমাজে যেসব নারীরা অনৈতিক ও অসামাজিক কার্যকলাপ করে এমন কয়েকজন কপালে টিপ ওয়ালা মেয়ে এনে চরকের সামনে বসিয়ে দিতে, কারণ এ অবস্থায় রহমতের ফেরেশতারা সেখানে থাকতে পারবেন না।

ফলে তাই করা হলো এবং ফেরেশতারা চলে গেলেন, আর ঠিক তখনি তারা মুসলিম জাতির পিতা ইবরাহীম (আঃ)’কে আগুনে নিক্ষেপ করতে সক্ষম হলো। কিন্তু আগুন আল্লাহ্ পাকের হুকুমে ইবরাহীম (আঃ)’কে জালানোর বদলে ফুলের বাগানে পরিনত হয়ে গেলো, (সুবহানাল্লাহ)
পরবর্তিতে ঐ কপালে টিপ ওয়ালা মেয়েগুলোকে নমরূদ কর্তৃক রাষ্ট্রীয় মর্যাদা দান করা হল যে, পতিতা মেয়েদের কারণে রহমতের ফেরেশতারা চরক ছেড়ে দূরে সরে গিয়েছিলেন, এবং তাদের মাথায় তীলক পরানো হল। যেটা এখন আমাদের কাছে টিপ নামে পরিচিত যা মেয়েরা নিজের সৌন্দর্য প্রকাশ করতে ব্যবহার করে যা সম্পূর্ণ হারাম।

এছাড়াও কপালে টিপ দেওয়া বিধর্মীয় সংস্কৃতিক রীতিতে পরিণত হওয়ায় তা বিধর্মীয় সংস্কৃতি হিসাবেই গন্য হয়। আর বিধর্মীয় সংস্কৃতি কোন মুসলমানের জন্য গ্রহণ করা জায়েয হতে পারে না। কারো কাছে তা ভাল লাগলে মনে করতে হবে এ ব্যাপারে তার ইসলামী রুচিবোধ নষ্ট হয়ে গেছে। তাই স্বামীর সন্তুষ্টির জন্যও কপালে টিপ দেয়া যাবে না। কোনো স্বামী এমনটা চাইলে তাকে বুঝিয়ে এ অন্যায় থেকে বেঁচে থাকতে হবে।

অশ্লীল মেয়ে বা পতিতার পরিচয় বুঝানোর জন্য যে টিপ ব্যবহার করা হত, তা আজ আমাদের উপমহাদেশে ফ্যাশন! ওহে মুসলিম নারীরা! এই সত্য কথাটা জানার পরও কি আপনি আপনাদের কপালে টিপ পড়বেন?? (নাউজুবিল্লাহ) কোন মুসলিম নারী এরূপ করতে পারেনা।
মহান আল্লাহ তা’আলা যেন সবাইকে বুঝার ও ইসলামী জিন্দেগী গঠন করার তৌফিক দান করেন, আমিন।
তথ্যসূত্র : তাফসীরে মা’রেফুল কুরআন, ইমাম তাবারী: আত-তারীখ, ১খ, ১২৩-১২৪; আদি গ্রন্থ, কাসাসুল আম্বিয়া, পৃষ্ঠাঃ ৮১,

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
error: Content is protected !!