1. admin@pratibaderkantho.com : admin :
  2. badhsa85ja@gmail.com : badhsa :
  3. editor@pratibaderkantho.com : editor :
করোনায় সবেই যখন খোলা যাত্রীবাহী বাস চলতে ক্ষতি কী ? - প্রতিবাদের কন্ঠ
মঙ্গলবার, ০৫ জুলাই ২০২২, ০৭:১৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
ফুলবাড়ী সীমান্তে বিজিবি’র অভিযানে মাদকসহ তিন চোরাকারবারী আটক  জলঢাকায় এমপি ঐচ্ছিক তহবিল থেকে অনুদানের টাকা বিতরণ  বন্যা কবলিত অসহায় মানুষের সেবায় বিন নেটওয়ার্ক ফাউন্ডেশন পবিত্র ঈদ-উল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন (ওসি) লাইছুর রহমান মানবতার ফেরিওয়ালা ব্যারিস্টার তুরিন : খবর নিলেন গ্রামের নারীদের নীলফামারীতে পুনাকের তাঁত শিল্প ও পণ্য মেলার উদ্বোধন ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলায় বজ্রপাতে নিহত১ আহত ১ উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যে দিয়ে হরিঢালী আদর্শ যুব সংঘের ১ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিক পালন জলঢাকা পৌরসভায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী উপহার নগদ অর্থ ও চাল বিতরণ বন‍্যা কবলিত মানুষের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ

করোনায় সবেই যখন খোলা যাত্রীবাহী বাস চলতে ক্ষতি কী ?

কাওছার আল-হাবীব
  • প্রকাশকাল : শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২০
  • ১৩২

বাংলাদেশে মরণঘাতী করোনা সর্বপ্রধম আঘাত হানে চলতি বছরের ০৮ মার্চ । সেদিন প্রথম তিন জনকে দিয়ে আক্রমণ শুরু করলেও করোনা আজ অনেক মানুষকেই নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে এবং কেড়ে নিয়েছে শত শত প্রাণ।

রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) সূত্র অনুযায়ী তিনজন দিয়ে শুরু হলেও দেশে আজ (১৫ মে) পযর্ন্ত এ রোগে আক্রান্ত হয়েছে ২০ হাজার ৬৫ জন ও মৃত্যু সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৯৮ জনে।

করোনা আক্রান্তের প্রথমদিকে শনাক্তের ও মৃত্যুর সংখ্যা কম থাকলেও সে সসময় দেশের নাগরিকদের রক্ষা করতে সরকারকে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিতে দেখা গেছে। সরকারের কঠোরতায় অফিস আদালত বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছিল স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষ । দেশকে সুরক্ষা দিতে লকডাউন ঘোষণা করে জনগণকে নিরাপদে থাকতে কঠোর হয়েছিলো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও।

তৎকালীন সময়ে রাস্তায় বের হতে গিয়ে প্রশাসনের পিটুনি খেতে হয়েছে হাজারো মানুষকে। মাস্ক না পড়ার অপরাধে বয়স্ক মানুষকে কানে ধরে উঠ-বস করার ঘটনাও ঘটেছে।

শুধু তাই নয়, সংবাদকর্মীরাও দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে লাঞ্ছিত হয়েছে বহু বার। অথচ তখন ছিলো করোনা আক্রান্তের সংখ্যা অনেক কম।

আজ যখন দিনে দিনে করোনা রোগীর সংখ্যা ক্রমাগতভাবে বারতেই চলছে ঠিক সেই মুহুর্তে কিছু বড় মাপের ব্যাবসায়ীরা গার্মেন্স খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে একদমেই ভুল করেনি। পাশাপাশি অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলোও খুলতে দেখা গেছে। একদিকে গার্মেন্স খোলা হলো অন্যদিকে যাত্রীবাহী বাস বা গণপরিবহন বন্ধ রেখে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষগুলোর তামাশা দেখা শুরু করলো। কাজে যোগদান করতে বিপাকে পড়লো লাখ লাখ গার্মেন্স কর্মীরা।

জিবিকার তাগিদে তারা ছুটলো কর্মস্থলের উদ্দেশ্যে পায়ে হেটে কেউ বা পন্যবাহী ট্রাকে। রাতের আঁধারে অনেকেই বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে কাজে যোগদান করতে বাধ্য হয়েছে লড়াই সংগ্রাম করার মধ্য দিয়ে ।

গার্মেন্স খোলার পর একের পর এক অফিস-কারখানা, দোকান-পাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলছে বিনা বাধায়। ফলে ঢাকার রাস্তা-ঘাট দেখে বুঝার উপায় নেই বাংলাদেশে করোনা আছে কি নাই। দলবেধে রাস্তায় চলছে শত শত মানুষ। পুরোনো সেই জ্যাম ব্যস্ততম রাস্তাগুলোতে। মিরপুরের ফাঁকা রাস্তায় বা মাঠে দেখা গেছে যুবকেরা ক্রিকেট খেলতে কেউ বা খেলছে ফুটবলসহ বিভিন্ন ধরনের খেলা।

শপিংমল বা দোকানে দেখা যাচ্ছে ক্রেতার দীর্ঘ লাইন। রাস্তার অলি গলিতে রিকশার সারিবদ্ধ কাতার, প্রাইভেট কার বা ছোট ছোট যানবাহন ছুঠে চলছে আপন মনে। এগুলো দেখার যেন কেউ নেই।

সর্বশেষ আজ আক্রান্ত হয়েছে ১২শত মানুষ। এই ১২শত আক্রান্ত কেন প্রতিদিন ১২ শত মানুষ মারা গেলেও কারো যেন যায় আসে না। অনেকেই মনে করছে মানুষ মরলেই বা আমাদের কি? আমরা নিরাপদে থাকলেই যতেষ্ঠ। নিজে বাঁচলেই যতেষ্ঠ।

আমার মনে হয় যে, দেশে সবেই যেহেতু খোলা তাহলে শুধুমাত্র যাত্রীবাহী বাস বন্ধ রেখে সাধারণ মানুষের ভোগান্তির কোন মানেই হয় না।

সুতরাং মানুষ মার্কেট যাচ্ছে শপিং করতে। অফিস যাচ্ছে জীবিকার তাগিদে। রাস্তায় চলছে লাখ লাখ রিকশা এবং কার-মাইক্রোবাসসহ যাবতীয় যানবাহন। বাদ শুধু যাত্রীবাহী বাস। এই যাত্রীবাহী বাস খুলে দিয়ে সাধারণ মানুষকে দুর্ভোগ থেকে রক্ষা করাই ভালো নয় কি?

কাওছার আল-হাবীব
গণমাধ্যমকর্মী

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
error: Content is protected !!